গত ডিসেম্বর থেকে শুরু করে প্রায় তিন মাস ধরে আমি আমার স্বামীর সাথে মাতৃত্বসুলভ ভালোবাসার ভাষা চর্চা করার আপ্রাণ চেষ্টা করে আসছি।
আমি প্রতিদিন নিয়ম করে ওয়েবসাইটটি দেখতাম এবং যেদিন মনে হতো যথেষ্ট অনুশীলন হয়নি, সেদিন একটি নোটবুকে ‘মায়ের ভালোবাসার ভাষা’ এবং ‘মায়ের ১৩টি শিক্ষা’ লিখে রাখতাম এবং যখনই একটু অবসর পেতাম, সেগুলো পড়ে মন দিয়ে বোঝার চেষ্টা করতাম।
তারপর, সেদিন আমি আমার স্বামীর সাথে মুদি দোকান থেকে ফিরছিলাম। আমি যখন কেনা জিনিসপত্র গোছাচ্ছিলাম , আমার স্বামী আমার কাছে এসে বললেন, “আমি কি তোমাকে একটু সাহায্য করতে পারি?” দশ বছরে এই প্রথম আমি তাকে কথাটা বলতে শুনলাম। সেই মুহূর্তে আমি ভাবলাম, “আমার স্বামী আমার মায়ের ভালোবাসার ভাষায় কথা বলেছেন!”
এর পরেও পরিবর্তনগুলো অব্যাহত ছিল। সাধারণত, আমার বাইবেল পাঠে তাদের আগ্রহ না থাকায় কথাবার্তা চলত না, কিন্তু ইদানীং তারা আমার কথা শুনতে ও সাড়া দিতে শুরু করেছে।
বিগত ১০০ দিন ধরে মাতৃস্নেহের ভাষা চর্চা করতে গিয়ে আমি কিছু একটা অনুভব করেছি।
যেমন শীতকাল জুড়ে জমে শক্ত হয়ে যাওয়া মাটিতে বীজ রোপণ করা যায় না, ঠিক তেমনি পরিবর্তনও তখনই শুরু হয় যখন হৃদয় প্রথমে উষ্ণ হয়ে ওঠে। উষ্ণতা দিয়ে একে গলিয়ে এবং হৃদয়ের ক্ষেত্র কর্ষণ করে সময় দিলেই কেবল ভালো উর্বর মাটি তৈরি হবে, যেখানে অবশেষে বীজ রোপণ করা যাবে।
মায়ের ভালোবাসার ৯টি ভাষা যা একটি ক্ষতবিক্ষত ও অবিশ্বাসে পূর্ণ হৃদয়কে উর্বর মাটিতে রূপান্তরিত করে।
এর বদৌলতে আমাদের পরিবারেও উষ্ণ পরিবর্তন আসছে।